Posts

Showing posts from June, 2020

প্রিয় মানুষটির প্রতি আমার ভালবাসার গভীরতা ছিলো অনেক বেশি,,

প্রিয় মানুষটির প্রতি আমার ভালবাসার গভীরতা ছিলো অনেক বেশি,,,  তাই বলে অতটা দুর্বল ছিলাম না,  যতটা হলে তাকে ছাড়া থাকা যাবে না,,,  অভিনয় শেষে এক সময় বিদায় নিতে চাইলো,  আমি নিজেই তাকে এগিয়ে দিয়ে আসলাম,,,  কষ্ট হয়েছে কিনতু ভেঙে যায়নি কারন আমি শক্ত ছিলাম প্রথম থেকেই।   ~~ প্রিয় মানুষটির প্রতি আমার বিস্বাস ছিলো সীমাহীন, ,, কিনতু এটা ভাবিনি যে,  আমার বিস্বাস কখনো ভাঙবে না,,,  দিন শেষে সে আমার বিস্বাসে ফাটল ধরালো,,,  আর আমি তাকে বিদায় ও দিলাম,,,  কারন,  আমি জানতাম,  বিস্বাস এর মুল্য যে দিতে পারে না,  সে কখনো সারা জীবন পাশে থাকতে পারে না,,,   ~~ প্রিয় মানুষটির সব সময় পাশে থাকার চেষ্টা করেছি কিনতু আমি এটাও জানতাম যে,  সবাই সবার পাশে থাকে না,,,  সে ছেড়ে যেতে চাইলো,,  একবার,  দুইবার অনুরোধ করলাম না যেতে,  কিনতু সে চলে গেলো আর আমি ও বলে দিলাম ভালো থেকো,  চির দিনের জন্য বাই,,,, কষ্ট পেয়েছি কিনতু তা সাময়িক,,, পরে বুঝলাম ভুল মানুষ ছিলো সে আমার জন্য।   ~~ প্রিয় মানুষটিকে মুল্য দিয়েছি সব সময় কিনতু এমনট...

এক রাতে গ্রামের জমিদারের ডাব চুরি করতে তিন বন্ধু বল্টু,পল্টু ও মিন্টু ধরা পড়ল।

এক রাতে গ্রামের জমিদারের ডাব চুরি করতে তিন বন্ধু বল্টু,পল্টু ও মিন্টু ধরা পড়ল।জমিদার তাদের বিচার করলেন।বিচার শেষে তাদের শাস্তি নিধারন করা হল ২০ বেতের আঘাত।....... ***প্রথমে মিন্টু বিচারক:তোমার শেষ ইচ্ছা কী?,,,,,,,,,.# মিন্টু:,আমার পিঠে একটা বালিস বাধা হোক....অত'পর তাকে মারতে মারতে ১০ বেতের আঘাতে তার বালিস ফেটে গেল এবং তাকে অতি কষ্টে ১০ টি আঘাত সহ্য করতে হল! ২য় পল্টু,, বিচারক:তোমার শেষ ইচ্ছা কী?  পল্টু:আমার পিঠে দুটো বালিস বাধা হোক। অতপর পল্টু বিনা আঘাতে বেচে গেল? এবার বল্টু.. বিচারক: তোমার শেষ ইচ্ছা কি? বল্টু:আমার পিঠে পল্টুকে বাধা হোক.. "কেউ বল্টুকে পানিতে ডুবাও",।। ⬇ আসসালামু আলাইকুম❤ সবার জন্য একটি অসাধারণ বিনোদন মূলক গ্রুপ খোলা হয়েছে নিচে লিংক দিলাম তাড়াতাড়ি জয়েন করুন।

মন দিয়ে পড়ো অনেক কিছু শিখতে পারবে আসলে মানুষ কি??

মন দিয়ে পড়ো অনেক কিছু শিখতে পারবে  আসলে মানুষ কি??  ১।জীবনের সবচেয়ে বড় অভিনয় হচ্ছে, হাসতে ইচ্ছে না করলে হাসতে হয়,ভালো না থাকলে ভালো আছি বলতে হয়। ২।কেউ কেঁদে মনটাকে হালকা করে, কেউ হেসে দুঃখটাকে চাপিয়ে  রাখে। ৩।ধনীরা মসজিদ,মন্দিরের ভিতর ভিক্ষা  করে, আর গরীবরা মসজিদ মন্দিরের বাইরে ভিক্ষা  করে। ৪।মসজিদ আর মন্দিরের ইট একই ইটভাটায় তৈরি হয়, এরা পরস্পরের  দিকে ইট ছুরে না, ইট ছুরে স্বর্গ আর জান্নাত প্রত্যাশী মানুষ গুলো। ৫।কোরআন,বাইবেল, গীতা, লাইব্রেরীতে পরস্পর  সহবস্থানে থাকে।বিবেদ করে না,কিন্তু মানুষ এগুলো নিয়ে বিবেদ করে,একদল অন্য একদলের। গ্রহ্ন জ্বালায় বিশ্বাস পোড়ায়। ৬।মৃতদিন পালন করা হয় মোমবাতি জ্বালিয়ে, আর জন্মদিন পালন করা হয় মেমবাতি নিবিয়ে। ৭।বরযাত্রায় মানুষ যা আগে, বর যায় পিছনে,শবযাত্রায়  লাশ যায় আগে মানুষ যায় পিছনে। ৮।অবৈধ পথে ধনী মানুষ সমাজে সম্মানিত, আর বৈধ পথে গরীব মানুষ সমাজে অবহেলিত। ৯।যে দুধ বিক্রি করে সে মানুষের দুয়ারে ঘুরে।আর যে মদ বিক্রি  করে মানুষ তার দুয়ারে ঘুরে। ১০।দুধ ওয়ালা দুধে পানি মেশালে গালি দেয়, মদ ওয়ালা মদে পানি মিশিয়ে খায়। ১...

""""আমার রুমমেট ছিল এক বড় ভাই। সাধারণত সব সময় হাসিখুশি থাকতো। পড়াশোনায় অনেক ভালো ছিল। মাস্টার্স শেষ করে চাকরি খুঁজছিল।

""""আমার রুমমেট ছিল এক বড় ভাই। সাধারণত সব সময়   হাসিখুশি থাকতো। পড়াশোনায় অনেক ভালো ছিল। মাস্টার্স শেষ করে চাকরি খুঁজছিল।  ~~~ভাই আমার কাছে একদিন প্রশ্ন করলো আচ্ছা ওয়াহেদ তোর কাছে বাড়ির বড় ছেলে মানে কি? ------- যেখানে বাবা বেঁচে নেই। শুধু মা আছে আর একটা ছোট ভাই আর ছোট বোন আছে।  আমি একটু চমকে উঠেছিলাম ভাই হঠাৎ এই প্রশ্ন করে কেন?  ~~~~তারপর  বললাম  যেখানে বাবা বেঁচে নেই  এমন পরিস্থিতিতে বাড়ির সবার দায়িত্ব বড় ছেলের উপরে পরে। মাকে দেখাশোনা করা। ছোট ভাই ছোট বোন এর পড়াশোনা চালানো। এমন এক সময় আছে বোনের বিয়ে দেওয়া আর এটাই সবথেকে বড় দায়িত্ব। বড় ভাই বোন, বাবা মায়ের মতো।  ~~আমি এমন অনেক বড় ভাই বোন কে দেখেছি যারা নিশ্বার্থ ভাবে তারা তাদের পরিবার কে সামলিয়ে রাখছে। এমন বড় ভাই বা বড় বোন হওয়া অনেক ভাগ্যের ব্যাপার। ---- তারপর ভাই বললো ওয়াহেদ তোর ভাই বোন কয়টা? ----আমি বললাম আমার কোন ভাই বোন নাই।  ---তাহলে তো তুই বেঁচে গিয়েছিস তোর উপর কোন দায়িত্ব নাই। আমি শুধু মুচকি হাসি দিলাম।  ~~ওয়াহেদ ভাই দোয়া করিস কাল একটা চাকরির ইন্টারভিউ আ...

হেরে যাওয়ার গল্পটাও একদিন ভাইরাল হবে

আপনার হেরে যাওয়ার গল্পটাও একদিন ভাইরাল হবে যদি আপনি কিছু করে দেখাতে পারেন। আপনার লুঙ্গিপরা ছবিটাও ব্র‍্যান্ড হয়ে যাবে যদি আপনি সাকসেস হতে পারেন। ডিএসএলআর ক্যামেরায় তোলা দামি ব্লেজারের ছবিটাতে ধুলো পড়ে যাবে, মুছার কেউ থাকবেনা যদি জীবনে আসলেই কিছু করে দেখাতে না পারেন। "স্কুল লাইফে কখনো ইংরেজিতে পাশ করতে না পারা ছেলেটি এখন ইন্টারন্যাশনাল ইংরেজি পত্রিকার পপুলার কলামিস্ট", এটা শুনে আপনিও কি ইংরেজিতে ফেল করতে চায়বেন? "সবচেয়ে কম জিপিএ নিয়ে অনার্স কমপ্লিট করা ছেলেটিই বিসিএসে ফার্স্ট হয়েছে"- এটা শুনে আপনিও কি আপনার কম জিপিএ নিয়ে গর্ব করবেন? "স্কুলের ব্যাকবেঞ্চার মেয়েটি এবার গুগলে চাকরি পেয়েছে "- এটা শুনে কাল থেকেও কি ব্যাকবেঞ্চার হয়ে যাবেন? অন্ধকার রুমে গিয়ে নিজের গালে নিজে দুইটা কষে থাপ্পড় লাগান। সারাদিন যে একে ওকে দোষারোপ করেন, ভাগ্যকে উঠতে বসতে গালি দেন ভালো কিছু করতে না পারার জন্য৷ You are seriously nonsense, sir. সফল হবেন আপনি, সম্মানিত হবেন আপনি, হ্যান্ডসাম লাইফস্টাইলটাও আপনার হবে৷ কিন্তু কাজটা করে দিবে অন্য কেউ!! ভাগ্য নামক এক অদৃশ্য শক্তি এসে আপনাকে সব করে ...

রিকশাওয়ালার প্রেম

আমি ক্লাসে ঢুকতেই সবাই মিলে একসাথে বলতে শুরু করলো >এই দেখ দেখ আমাদের রিকশাওয়ালা এসেছে  >কি মামা যাবা নাকি  >সালা দিনমজুর  >ক্ষ্যাত কোথাকার  >এই শ্রমিক আজ কত কামাইছিস কথাগুলো খুব হাসি তামাশা করে বলতে থাকলো। আমি ছলছল চোখ নিয়ে সবার দিকে একবার চোখ বুলিয়ে মাথা নিচু করে শেষ বেঞ্চে বসে পড়লাম। বুকের ভেতর টা খুব যন্ত্রণা অনুভব করছে। ভাবছি এই ধনীর দুলাল দুলালি রা কি পড়াশোনা শিখছে?? হতে পারি দিনমজুর তাই বলে কি কোন মুল্য নেই সমাজে আমার?? আমার মত আরো হাজারো দিনমজুর আছে। তাদের কেও এরা কি মুল্য দিচ্ছে? লজ্জা পাইনি কিন্তু কষ্ট হচ্ছে কথাগুলো শুনে। শুধু বারবার একটা কথাই বলতে ইচ্ছে করছে  "" আমার জায়গায় একবার নিজেদের বসিয়ে দেখো জীবন কতটা কঠিন "" সবার ওই খোচানি কথাগুলো কানে বাজছে। দু এক ফোটা জল গড়িয়ে পড়লো বইয়ের ওপর। নাফিসা খুব হাসি হাসছে আমাকে এভাবে সবার কাছে তুলে ধরতে পেরে। কিন্তু কারো ওপর রাগ হচ্ছে না। ওরা আমারই বন্ধু। একই ক্লাসে পড়ি। হটাত সবাইকে থামিয়ে দিলো জেরিন। >আশ্চর্য কি শুরু করছিস সবাই?? একটা মানুষকে এভাবে কেন অপমান করছিস?? >উলে বাবালে দেখ দেখ মাদার তের...

ভালোবাসা বেশি মানেই ক্ষতি

শুক্রবার স্বামী স্ত্রী দুজনেই ঘুমাচ্ছে। এমন সময় স্ত্রী স্বামীকে ডাকছে এই শুনছো উঠো ছাড়ো বলছি। মনে নেই আজকে শুক্রবার আমাদের দুজনের একসাথে রান্না করার দিন স্বামীঃ আরেকটু পর প্লিজ স্ত্রীঃ তুমি উঠবে না আমি একাই যাবো অতঃপর তারা রান্না করছে আর গল্প করছে  স্ত্রীঃ আচ্ছা মনে আছে আমি তোমায় প্রথম যেদিন রান্না করে খাইয়েছিলাম স্বামীঃ মনে থাকবে না আবার খাবার তো নয় যেনো নুনের পায়েস ছিলো আমি তো খেতেই পারি নি স্ত্রীঃ প্রথম প্রথম সবারই এমন হয় (একটু অভিমান নিয়ে) অতঃপর স্বামী বউয়ের রাগ ভাঙ্গাতে বললো আচ্ছা মনে আছে বিয়ের পর আমাদের সেই প্রথম বৃষ্টিতে ভেজা স্ত্রীঃ সে আর বলতে তুমি যে পিছলা টা খাইছিলা ওইটা দেখে হাসতে হাসতে আমিও তোমার সাথে পরে গেছিলাম হঠাৎ আবার বৃষ্টি শুরু হলো তারপর স্বামী স্ত্রীকে বললো চলো না আবার বৃষ্টিতে ভিজি তুমি কি পাগল হয়েছো এখন রান্না রেখে বৃষ্টিতে কিভাবে ভিজবো তারপর স্বামীর অনেক আবদারের পর তারা দুইজন ছাদে গেলো দুজনেই ছাদে ভিজতে ছিলো এমন সময় হঠাৎ ঠাডা পইরা দুইজনেই মইরা গেলো🥵 সত্যিকার ভালোবাসা গুলা এমনি।😭 কি দরকার আছিলো রান্না বাদ দিয়া রোমান্স করতে যাওয়ার😏

আত্নহত্যা করছি আমি

আমি আত্নহত্যা করার জন্য উপাই খোজার চেষ্টা করছি। হ্যাঁ একটা উপায় পেলাম। অতিতে যে নিয়মে ৭০% আত্নহত্যা করছে সেটাই বেছে নিলাম। গলায় দড়ি । ওহ! বলাইতো হয়নি কেন আত্নহত্যা করছি। তবে বলছি শুনেনঃ কারন-০১ঃ সংসার জ্বালায় আমি অতিষ্ঠ তাই এ জীবন আর রাখবনা। সারাদিন বাহিরে কাজ করে বাসায় ফিরে দেখি থালাবাটির ঝন-ঝনি। থপ থপ করে এসে দরজাটা খুলেই বলা শুরু " আমি কি চাকর এসে গেছি যে সারাদিন খেটে মরব, জীবনটা শেষ হয়ে গেল"। বাচ্চার বয়স ৪ বছর।  বাচ্চা জরে ধরে বলে, "আমার সাইকেল কিনে দিলেননা, আপনি পঁচা " বলে মুখ ভেঞ্চি করে দরজার আরালে লুকে পরল। আমি আর কি, কাপর সব পাল্টানো শুরু করতেই একটি আওয়াজ পেলাম, "কানের মধ্যে কথা ঢোকেনা, পই পই করে বললাম মরিচ আর লবন নেই এখন খালি ভাত খা"। রাত্রি ১১.৩০ বেজে গেছে, কাপর না পাল্টে আবার ঘামা গায়ে বের হলাম লবন মরিচের সন্ধানে।  ঈদের সপিং বউ এর ঝারিঃ জীবনে সখের কিছুই পেলাম না। অমুকের বউ কি সুন্দর একটা লাল সাড়ি কিনছে। ছেলেটার জন্যও কিছু কেনা হলোনা। অথচ, ৭০০০/= শেষ তখন।  বাড়ির জন্য ৩০০০/= টাকা দেব আমার না হলেও চলবে। মোট বোনাস পাইছি প্রায় ১১০০০/=  থাকে ১ হাজার।...